বেনাপোল-পেট্রাপোল গেট কারপাস জটিলতায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেট কারপাস এন্ট্রি না করে এই আমদানি বন্ধ করে দিয়েছেন।
গতকাল রবিবার সকাল থেকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের সদস্যরা আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রেখেছেন। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, ‘বহুদিন ধরে আমরা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানীকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহণ করে আসছি। গতকাল শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ নির্দেশনা জারি করে, নিজ নিজ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানীকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণ করতে হবে।
ওই ট্রাকে কোনো অবৈধ মালপত্র থাকলে সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে। এসংক্রান্ত কোনো দায়ভার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নেবে না।’
এসংক্রান্ত কোনো দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিঅ্যান্ডএফের পক্ষ থেকে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, ‘গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত কারপাস এন্ট্রি বন্ধ আছে।
lকাস্টমস একটি আইন করেছে, কারপাস এন্ট্রির সময় গাড়িতে যদি কোনো অবৈধ মালপত্র পাওয়া যায় এর দায়ভার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের ওপর পড়বে। যার কারণে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এই কারপাস এন্ট্রি বন্ধ করে রেখেছে। পণ্য আমদানি করে যদি কোনো আমদানিকারক কোনো সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে কাজ না দেয় তখন সে দায়ভার কে নেবে? অনেক সময় ভারত থেকে আসা কোনো কোনো ট্রাকচালক ব্যক্তিগতভাবে অবৈধ মালপত্র বাংলাদেশে নিয়ে আসে। এই দায়ভার আমরা কেন নিতে যাব? এই কারণে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ আছে।’
বেনাপোল বন্দরের বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, ‘গত দুই দিন ধরে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল থেকে কোনো ধরনের কারপাস এন্ট্রি না হওয়াই নতুন করে কোনো ধরনের আমদানি পণ্যবোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি।


