কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনাকল্পনা। অবশ্য সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচনায় রয়েছেন চারজন বিশিষ্ট রাজনীতিক ও একজন আমলা। এর মধ্যে আছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ইমেজের মানুষ তিনি।
তার পরেই আলোচনায় রয়েছেন দলের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা নিয়ে নির্বাচনের আগে দেশে ফেরেন। তৃতীয় নামটি হচ্ছে সাবেক মন্ত্রী ও দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপির। এ ছাড়াও গুঞ্জন আছে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানের নাম। তিনিও শারীরিকভাবে অনেকটাই অসুস্থ। অন্যদিকে বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নামটিও মিডিয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে।
যেভাবে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিলে তা কার্যকর হয়। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।


