Homeঅর্থনীতিনতুন করের চাপ, বাড়তে পারে ফ্ল্যাটের দাম

নতুন করের চাপ, বাড়তে পারে ফ্ল্যাটের দাম

নির্মাণসামগ্রীর ওপর কর বৃদ্ধি এবং জমির মালিকদের জন্য নতুন কর আরোপে আবাসন খাতে নতুন সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বলছেন, এতে ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুটে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চলমান প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও বিক্রি কমে যাওয়ায় অনেক আবাসন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে চাপে রয়েছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই বাজারে মন্দাভাব চলছে। জাতীয় নির্বাচনের পর পরিস্থিতির উন্নতির আশা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও নতুন করের কারণে সেই সম্ভাবনা ম্লান হয়ে গেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্মাণসামগ্রীর ওপর কর বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ডেভেলপারদের কাছ থেকে পাওয়া ফ্ল্যাট বা অন্যান্য সুবিধার ওপর জমির মালিকদের ১৫ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতদিন শুধু সাইনিং মানির ওপর কর দিতে হতো।

বাজেটে রড উৎপাদনে ভ্যাটও বাড়ানো হয়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে। ইস্পাত খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, নতুন কর ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতি টন রড উৎপাদনে অতিরিক্ত ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় বাড়তে পারে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের ওপরই পড়বে।

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের নেতাদের মতে, জমির মালিকদের ওপর নতুন করের কারণে প্রকল্প ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। ফলে নতুন ফ্ল্যাটের দামও বাড়াতে বাধ্য হবে ডেভেলপাররা।

খাতসংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্তমানে আবাসন ব্যবসা এমনিতেই চাপে রয়েছে। এর মধ্যে নতুন কর কাঠামো কার্যকর হলে বিক্রি আরও কমে যেতে পারে, ফ্ল্যাট নিবন্ধন হ্রাস পেতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে সরকারের রাজস্ব আদায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উদ্যোক্তারা বলছেন, নির্মাণসামগ্রীর দাম, বিদ্যুতের ব্যয় এবং নতুন করের সম্মিলিত প্রভাবে আবাসন খাতে বিনিয়োগ ও ক্রেতা উভয়ের ওপরই বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। ফলে আগামী দিনে ফ্ল্যাটের মূল্য আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক মন্তব্য