সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে হত্যার পর লাশ ঘরের আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত এক নারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। পরে তার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগও করা হয়।
গতকাল দিনভর চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে। রাত ৯টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে। শিক্ষার্থীর নাম ফারজানা ইয়াসমিন (৯)। সে কাশিবাটি গ্রামের কৃষক ও ভ্যানচালক এনামুল হকের মেয়ে। সে ৪১ নম্বর কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
অভিযুক্ত নারী সুরাইয়া আক্তার একই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন। তার বিরুদ্ধে শিশুটির কানের সোনার দুল ছিনিয়ে নেওয়ার পর হাত-পা বেঁধে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়েছে। কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


