ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের আর কোনো সম্ভাবনা নেই। দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন ভেঙেছে সেমিফাইনালে হেরে। ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সকে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ২-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। ১৯৬৬ বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ডকে ম্যাজিক্যাল ফুটবল খেলে ২-১ গোলে হারিয়েছে ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ২০ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন।
আজ মধ্যরাতে তৃতীয়-চতুর্থ স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। বিশ্বকাপে সবচেয়ে গুরুত্বহীন ম্যাচের মর্যাদা পেয়ে আসছে এই ম্যাচটি। ফাইনালে উঠতে না পারার হতাশায় এই ম্যাচটি খেলতে রাজি হয় না দলগুলো। ফিফার নিয়ম মেনে তারপরও আনুষ্ঠানিকতা সারতে মুখোমুখি হয় সেমিফাইনালে পরাজিত দুই দল।
আনুষ্ঠানিকতার ও গুরুত্বহীন ম্যাচ হলেও তিন ফুটবলারের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব অপরিসীম। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি। গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে রয়েছেন এই তিন ফুটবলার। যদিও গোল্ডেন বুট ও বলের লড়াইয়ে এগিয়ে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। মেসির গোল ৮টি এবং সহায়তা চারটি। সমান ৮ গোল করেছেন এমবাপ্পে। কিন্তু সহায়তা করেছেন তিনটি। একটি পিছিয়ে রয়েছেন ফ্রেঞ্চ তারকা। ইংলিশদের বিপক্ষে স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি সেজন্যই মহাগুরুত্বপূর্ণ এমবাপ্পের জন্য। ছয়টি করে গোল করেছেন কেইন ও বেলিংহাম। দুজনই আবার সহায়তা করেছেন একটি করে। লড়াইয়ে দুজন মেসি ও এমবাপ্পের চেয়ে পিছিয়ে আছেন।
তারপরও দুজনের কেউ যদি হ্যাটট্রিক করেন, তাহলে সবার ওপরে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য ম্যাচটির গুরুত্ব ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য। ম্যাচটি হবে ফ্লোরিডার মায়ামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ৩টায়। ইংল্যান্ড তাদের ফুটবল ইতিহাসে এবার তৃতীয়বার স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে। এর আগে ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে দুবার হেরে চতুর্থ হয়েছিল। ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছিল ২০২২ সালে। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ২-১ গোলে হারিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। গুরুত্বহীন ম্যাচটিতে বেঞ্চের একাধিক ফুটবলারকে খেলাতে পারেন কোচদ্বয়।


