বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহী ভারত। নয়াদিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের মিশনগুলোতে নতুন দুজন কূটনীতিকের নিয়োগ নিয়ে ওঠা বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। গতকাল শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
তবে ওই দুই কর্মকর্তার অতীতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যে রাজি হয়নি দিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মন্ত্রণালয়ের দ্বিসাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমাদের জানানো হয়েছে যে দুজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল এই প্রতিক্রিয়া জানান। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা বা মুখপাত্র হিসেবে যে দুজন সাংবাদিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা অতীতে ভারতের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘কঠোর সমালোচনামূলক’ পোস্ট শেয়ার করেছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়োগের বিষয়টি ‘কূটনৈতিক মহলে বিস্ময়’ সৃষ্টি করেছে। একটি সংবাদপত্র জানিয়েছে, নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর গত মঙ্গলবার ওই দুই সাংবাদিকের বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্ট মুছে ফেলা হয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে একটি সংবাদপত্র লিখেছে, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নেওয়া এই সিদ্ধান্তগুলো অদ্ভুত। বিশেষ করে যখন দুই দেশ গত দুই বছরের টানাপোড়েন কাটিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনে মনোযোগ দিচ্ছে, তখন এমন পছন্দ প্রশ্নবিদ্ধ।’
তবে রণধীর জয়সওয়াল এসব বিতর্ক নিয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করার সদিচ্ছার মধ্যেই বক্তব্য সীমাবদ্ধ রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আসা একটি খবরের বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।এ প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে পরে আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’


