কদমতলী থানার শহীদ মুক্তার হোসেন সড়কে ইয়াসিন হাজির বাড়ির সামনে গতকাল ভোরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মো. জনি নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব কুমার বাড়ৈ বলেন, শনিবার ভোরে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় এসে পোস্তগোলা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বড়ইতলা নামেন তৌহিদুল ইসলাম ও রাকিবুল সরদার। পরে তাঁরা হেঁটে নামাশ্যামপুরের শহীদ মুক্তার হোসেন সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় তিন ছিনতাইকারী তাঁদের পথরোধ করে। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ছিনতাইকারীরা ছুরি বের করলে তৌহিদুল ইসলাম ও রাকিবুল সরদার এক পাশে সরে যান। এ সময় ছিনতাইকারীদের ছুরির আঘাতে জনি আহত হয়ে ঘটনাস্থলে পড়ে যান। আশপাশের লোকজনকে ঘটনাস্থলে আসতে দেখে অন্য দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ নম্বরে খবর দিলে পুলিশ জনিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, বাকি দুই ছিনতাইকারীকে শনাক্ত করার পাশাপাশি এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
নিহত জনির স্ত্রী স্বপ্না বেগম জানান, তাঁদের বাসা শ্যামপুর ব্রিজ এলাকার নবারুণ গলিতে। তাঁর স্বামী ব্যাটারিচালিত রিকশা চালাতেন। রাতে রিকশা নিয়ে বের হয়েছিলেন তিনি। সকালে পুলিশের মাধ্যমে স্বামী ছুরিকাঘাতে আহত হওয়ার খবর পান। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে স্বামীর মরদেহ দেখতে পান।


