Homeজাতীয়কার্গো নেই, ফের এলএনজি সরবরাহে ধস

কার্গো নেই, ফের এলএনজি সরবরাহে ধস

ব্যবস্থাপনার চরম ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক তদবিরে এলএনজি কেনায় অনিয়মের খেসারত দিচ্ছে পুরো দেশ। টানা ২৭ দিনের গ্যাস সংকটের পর মাত্র একদিনের স্বস্তি মিললেও, সময়মতো কার্গো না আসায় আবারও এলএনজি সরবরাহে ধস নেমেছে। এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালের মজুত প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও বাসাবাড়িতে গ্যাস সংকট তীব্রতর হচ্ছে। এই চরম অনিশ্চিত পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার রাতে জরুরি বৈঠক ডেকে স্পট মার্কেট থেকে ২ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কর্তৃপক্ষ-আরপিজিসিএল ও পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলএনজি কার্গো না থাকায় এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে সরবরাহে ধস নেমেছে। মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় মাত্র ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে। সামিটের ভাসমান টার্মিনালসহ সোমবার দুপুর ১২টায় এলএনজি থেকে মাত্র ৫৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় দেশীয় ১৬০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজনৈতিক তদবিরে অস্বাভাবিক উপায়ে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কয়েকটি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছিল। কিন্তু তারা সময়মতো সেই এলএনজি সরবরাহ করতে না পারায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাল এক্সিলারেট এনার্জির কার্গো পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হবে। আর ২৩ আগস্টের কার্গো না এলে সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

এদিকে সংকট বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও বাসাবাড়িতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সারা দেশের আকাশ মেঘলা থাকায় এবং বৃষ্টিপাত হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা কমেছে। ফলে মাত্র ১৩ হাজার থেকে সাড়ে ১৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে। সোমবার দিনের অধিকাংশ সময় লোডশেডিং ৫০০ মেগাওয়াটের আশপাশে ছিল।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক মন্তব্য