গাইবান্ধার সাঘাটায় স্কুল কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে গতকাল ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারীকে (২৪) গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় শিবিরের আরেক কর্মী সালাউদ্দিন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত হন। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের বিষয়ে উপজেলা চত্বরে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লার সঙ্গে বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় নেতাদের সমঝোতায় বিষয়টি মীমাংসা হলে সবাই উপজেলা চত্বর ত্যাগ করেন। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী ও শিবির কর্মী সালাউদ্দিন বোনারপাড়া-সাঘাটা সড়কের উপজেলা কার্যালয় সংলগ্ন বোনারপাড়া চৌমাথায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল মিয়াসহ ১০ থেকে ১২ যুবক ধারালো চাকু ও শাবল নিয়ে শিবির কর্মী সালাউদ্দিনের গলায় আঘাত করে। বোনারপাড়া ইউনিয়ন শিবিরের সভাপতি এগিয়ে গেলে তাকে ধাওয়া করে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনের রাস্তার ওপর ফেলে গলায় ছুরি চালায়।
পরে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে ইউনিয়ন শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজেদুর রহমান অভিযোগ করেন, বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল মিয়া ও তার ছোট ভাই পলাশ, বোনারপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রবিউল ইসলাম জড়িত ছিল।
এ বিষয় বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবদুল কাউয়ুম জানান, ঘটনাটি তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।


