Homeখেলাহাইতিকে উড়িয়ে যত কীর্তি গড়ল ব্রাজিল

হাইতিকে উড়িয়ে যত কীর্তি গড়ল ব্রাজিল

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিল রেকর্ড পাঁচবারের শিরোপাজয়ী ব্রাজিল। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে শনিবার সকালে দুর্বল হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল তারা।

ইগর থিয়াগোর বদলে মূল একাদশে সুযোগ পাওয়া মাথেউস কুনিয়া সেলেসাওদের হয়ে জোড়া গোল করেন। অন্য গোলটি করেন ছন্দে থাকা তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। পাশাপাশি কুনিয়ার দ্বিতীয় গোলে অ্যাসিস্টও করেন তিনি।

এই জয়ে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা ‘সি’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে। দুই ম্যাচ খেলে তাদের অর্জন ৪ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পাওয়া মরক্কো গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে।

গত সপ্তাহে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সাথে ড্র করায় ব্রাজিলের ওপর বেশ চাপ ছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে সেলেসাওরা পাল্টা জবাব দিয়েছে, গোল উৎসব করেছে এবং স্বভাবসুলভ উদযাপনে মেতেছে।

হাইতিকে হারানোর ম্যাচে ব্রাজিলের যত কীর্তি:

* বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নিয়ে ৪১তম বার কোনো ম্যাচে ৩ বা এর বেশি গোল করল ব্রাজিল, যা অন্য যেকোনো দলের চেয়ে অন্তত পাঁচবার বেশি। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা জার্মানি ৩ বা এর বেশি গোল করেছে ৩৬ বার।

* বিশ্বমঞ্চে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ডেও জার্মানিকে ছাড়িয়ে গেছে ব্রাজিল। বর্তমানে ব্রাজিলের মোট গোল ২৪১টি, আর জার্মানির ২৩৯টি।

* বিশ্বকাপে কনকাকাফ অঞ্চলের (উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান) দেশগুলোর বিপক্ষে খেলা ১০টি ম্যাচের নয়টিতেই জিতল ব্রাজিল। বাকিটি হয়েছে ড্র। শুধু তাই নয়, এই ১০টি ম্যাচের নয়টিতেই আবার তারা কোনো গোল হজম করেনি। এর মধ্যে চারটি ম্যাচে ব্রাজিল ৩ বা এর বেশি গোল করেছে।

* ফিফা বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয়টি ম্যাচ খেলে ভিনিসিয়ুস ঠিক ৬ গোলে অবদান রেখেছেন (৩ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট)। বিশ্বমঞ্চে অন্তত পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন এমন ব্রাজিলিয়ানদের মধ্যে ১৯৬৬ সালের পর থেকে মাত্র তিনজন খেলোয়াড় প্রতি ম্যাচে গড়ে ১ বা এর বেশি গোলে অবদান রাখতে পেরেছেন। তারা হলেন— পেলে (৮ ম্যাচে ১১ গোলে অবদান), রোনালদো (১৯ ম্যাচে ১৯ গোলে অবদান) ও তোস্তাও (৭ ম্যাচে ৭ গোলে অবদান)।

* রায়ান (১৯ বছর ৩২০ দিন) ও এন্দ্রিক (১৯ বছর ৩৩৩ দিন) ব্রাজিলের ইতিহাসে বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করা যথাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম কনিষ্ঠতম খেলোয়াড়। ১৯৭০ সালের আসরে মার্কো আন্তোনিওর (১৯ বছর ১২৮ দিন) পর তারাই সবচেয়ে কম বয়সে সেলেসাওদের হয়ে বিশ্বকাপে খেললেন।

* ব্রাজিলের ইতিহাসে কেবল দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সী দুজন খেলোয়াড় মাঠে ছিলেন। রায়ান ও এন্দ্রিকের আগে ১৯৫৮ সালের আসরে ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচে কিংবদন্তি পেলে ও আলতাফিনি একসঙ্গে খেলেছিলেন।

* হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশের গড় বয়স ছিল ৩০ বছর ১৯০ দিন। ১৯৬২ সালের পর বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এটিই দলটির সবচেয়ে বয়স্ক মূল একাদশ। তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে তাদের একাদশের গড় বয়স ছিল ৩০ বছর ২১৬ দিন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

সাম্প্রতিক মন্তব্য