Homeরাজনীতিঅন্যান্য দলপ্রস্তাবিত বাজেট প্রত্যাখ্যান ছাত্র ইউনিয়নের, কড়া সমালোচনায় ছাত্রফ্রন্ট

প্রস্তাবিত বাজেট প্রত্যাখ্যান ছাত্র ইউনিয়নের, কড়া সমালোচনায় ছাত্রফ্রন্ট

বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট প্রত্যাখ্যান করেছে বামধারার ছাত্রসংগঠন ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ)। তাদের অভিযোগ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্য খাত বরাবরের মতো এই বাজেটেও উপেক্ষিত। বামপন্থী আরেক ছাত্রসংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টও (মার্ক্সবাদী) প্রস্তাবিত বাজেটের কড়া সমালোচনা করে বলেছে, বরাবরের মতোই এবারের বাজেটেও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের কেন্দ্রীয় সভাপতি তামজীদ হায়দার চঞ্চল ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার এবং ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ।

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘গতানুগতিক, গণবিরোধী, ঋণনির্ভর ও বৈষম্যবর্ধক’ উল্লেখ করে এটি প্রত্যাখ্যান করে ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতা বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেট বাস্তবতার বিচারে একদিকে যেমন ফাঁপা ও অকার্যকর, অন্যদিকে এটি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈষম্য হ্রাসের ক্ষেত্রে কোনো কার্যকর দিকনির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো বাস্তবসম্মত রূপরেখা এতে নেই।

এবারের বাজেটেও পুরোনো ধারাবাহিকতা দেখছে ছাত্র ইউনিয়ন। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, বাজেটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মদের ওপর কর বৃদ্ধি একটি দ্বিমুখী নীতির প্রতিফলন—একদিকে রাজস্ব আহরণ, অন্যদিকে নিয়ন্ত্রণের নামে বাজার বিকৃতির সুযোগ সৃষ্টি করা।

বিবৃতিতে ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা বলেন, বাজেটে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেই। এই বাজেট জনগণের প্রকৃত চাহিদা ও বাস্তবতার প্রতিফলন নয়; বরং এটি একটি বৈষম্যমূলক অর্থনৈতিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।

কর্মসংস্থান তৈরির কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই

প্রস্তাবিত বাজেট শিক্ষা-স্বাস্থ্য-চাকরিসহ ছাত্র-জনতার মৌলিক সংকট দূর করতে ভূমিকা রাখবে না বলে মনে করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, বারবার দাবি তোলার পরও বরাবরের মতোই এবারের বাজেটেও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত যথাযথ গুরুত্ব পেল না।

ছাত্রফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছে, এবারের বাজেটেও বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি করার কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হলে জাতীয় সক্ষমতা তৈরির বিকল্প নেই। জাতীয় সক্ষমতা তৈরির ব্যাপারও উপেক্ষিত থেকেছে এ বাজেটে।

ধনিকশ্রেণি, কালো টাকার মালিক ও আমলা তোষণের গণবিরোধী নীতি থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-খাদ্য-কর্মসংস্থানসহ জনকল্যাণমূলক প্রতিটি খাতে উপযুক্ত বরাদ্দ দেওয়া এবং অনুৎপাদনশীল খাতে বরাদ্দ কমানোর আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রফ্রন্ট।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

সাম্প্রতিক মন্তব্য