এ ব্যাপারে জানতে সন্দ্বীপ নৌবাহিনী কন্টিনজেন্টের দায়িত্বরত এক কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’ এরপর পরিচয় না দিয়েই তিনি ফোন কেটে দেন।
সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহেরও প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ‘এ মুহূর্তে কিছু বলার মতো অবস্থা নেই। পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি অবগত করা হবে।’
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, ‘নৌবাহিনী অবৈধ অস্ত্র রাখার সংবাদ পেয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক করলে প্রায় দুই থেকে আড়াই শ নারী-পুরুষ সমবেত হয়ে কন্টিনজেন্টের সামনে চলে গেলে নৌবাহিনী পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতিনিধি ঠিক করে আলাপ করতে বলা হয়। তাঁরা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। কিন্তু কীভাবে আহত বা নিহত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে পারিনি। নৌবাহিনী বলেছে, তাঁরা এমন কিছু করেনি।’