এপিবিএনের ওই পুলিশ কর্মকর্তার জিডিতে আরও বলা হয়, সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ওই অফিসের প্রবেশমুখে বাঁ পাশের দেয়ালে ‘এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, এয়ার সাইড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’ লেখা সাইনবোর্ডটি ভাঙা অবস্থায় অফিসের ভেতরে রাখা হয়েছে। অফিসের ভেতরে থাকা সরকারি কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার, ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, ২০১০ সাল থেকে রক্ষিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র নির্দিষ্ট স্থানে পাওয়া যায়নি। অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরাটি ভারী সাদা কাগজে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
জিডিতে বলা হয়, অফিসের সামনের এপিবিএনের লোগোসংবলিত স্টিকার সরিয়ে ‘বিএএফ টাস্কফোর্স’ লেখা, একই সঙ্গে বিমানবাহিনী ও সিভিল অ্যাভিয়েশনের লোগোসহ স্টিকার লাগানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরাটি ভারী কাগজে মোড়ানোর কারণে কী কী মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ কী কী নথি সরানো হয়েছে, তা পরিপূর্ণভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।