একসময় পান বাজারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন জাফর। এরপর শ্রমিক নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজি করা ছিল জাফরের মূল পেশা। শুরুতে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ইউপি সদস্য হন। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন। জেলা পরিষদের সদস্যও ছিলেন তিনি।
র্যাব-১৫–এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) মো. কামরুজ্জামান বলেন, টেকনাফকে টানা ১৭ বছর মাদক, চোরাচালান, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যার রাজ্যে পরিণত করেছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য বদি। এই বদির অপরাধজগতের ‘ডানহাত’ বলা হয় জাফরকে। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁকে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হবে।