মামুন চৌধুরী নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সদস্য। তিনি নগরের একটি আটা-ময়দা মিল ও ফোর নিটওয়্যার লিমিটেড নামের তৈরি পোশাক কারখানার মালিক। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে নগরের ব্যবসায়ীদেরও বাড়িতে ভিড় করতে দেখা যায়।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মামুন চৌধুরী, ফাহমিদা শারমিন ও আতিফার লাশ আনা হয় ভূঁইয়াপাড়ার বাড়িটিতে।
সাজিয়া সাজু ও উম্মে তানসুমার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় বন্দরের সোনাকান্দায়। প্রিয়জনের লাশ আনার খবরে পুরো বাড়িটিতেই বিলাপের রোল পড়ে।
স্ত্রী ও স্বজনদের মরদেহ আনতে ফরিদপুর গিয়েছিলেন সাঈদ ভূঁইয়া। স্ত্রী আতিফার লাশ অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। সে কান্না কোনোভাবেই থামছিল না।
রাত ৯টার দিকে নিহত মামুন চৌধুরীর মেয়ে দুর্ঘটনায় আহত মাবিন চৌধুরীকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। একসঙ্গে বাবা–মাকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ সে।