পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের আলাপ-আলোচনা যদি সফলভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে, তবে ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইউরোপের। আর এ–সংক্রান্ত প্রস্তাবে সামনে থেকে কাজ করছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। বিনিময়ে ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের তরফে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দাবি করছে তারা। ইউরোপের উদ্বেগ, ট্রাম্প রাশিয়ার পক্ষ নিচ্ছেন এবং তিনি কয়েক দশকের ট্রান্স-আটলান্টিক জোট ভেঙে দিতে পারেন।
ওয়াশিংটনে যাওয়ার পথে উড়োজাহাজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘পুতিনকে আটকানোর জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা যথেষ্ট হতে হবে। যদি কোনো রক্ষাকবচ ছাড়া যুদ্ধবিরতি হয়, তবে তিনি (পুতিন) সুযোগের অপেক্ষায় থাকবেন এবং আবার ফিরে আসবেন। কারণ, ইউক্রেন নিয়ে তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা বেশ স্পষ্ট।’