অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে উদ্ধৃত করে শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিএসএ (সর্বশেষ সংস্কার করা আইন) মূলত ডিএসএর প্রায় সব কঠোর বিধানকেই নতুন করে যুক্ত করেছে, যার মধ্যে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৫৭ ধারা ও ডিএসএ বাতিল করা হলেও সরকারি তথ্য অনুসারে, ডিএসএ ও আইসিটি আইনের অধীন করা এক হাজারেরও বেশি মতপ্রকাশ–সম্পর্কিত মামলা এখনো চলছে। ২০১৮ সালের আগস্ট থেকে ট্রায়ালওয়াচের পর্যবেক্ষণে থাকা একটি মামলাও এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘হ্যাকিং, যৌন হয়রানি ও অন্যান্য গুরুতর সাইবার অপরাধের বিচার হওয়া গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা আইন অত্যন্ত অস্পষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ। এতে বিরোধী মত দমনের অনেক উপাদান রয়েছে। তাই আমরা এ আইনের অধীন দায়েরকৃত সব মামলা বাতিলের আহ্বান জানাচ্ছি।’