Homeজাতীয়নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়েছে

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়েছে


নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়েছে। কমিশনের কার্যক্রমের মেয়াদ বৃদ্ধি করায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন কমিশনের প্রধান শিরীন পারভিন হক।

তিনি বলেন, ‘গত ৩০ মার্চ আমাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী সব কাজ করা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই কমিশনের মেয়াদ এক মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাই আমরা ৩০ মার্চ প্রতিবেদন জমা দিইনি।’

প্রতিবেদন জমা দিতে আগামী ১৯ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার কাছে সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানান শিরীন পারভিন হক।

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, প্রতিবেদনে সম্পদ-সম্পত্তি, সন্তানের অভিভাবকত্ব, বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারীকে সমান অধিকার দেওয়ার দেওয়ার সুপারিশ আসতে যাচ্ছে। বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধানের মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছরের নিচে) মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার সুযোগ বন্ধ, নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস করার সুপারিশও প্রতিবেদনে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিটি পর্যায়ের কমিটিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব ন্যূনতম ৪০ শতাংশ এবং জাতীয় সংসদে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসন রেখে তাতে সরাসরি নির্বাচনের সুপারিশ প্রতিবেদনে থাকছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে শিরীন পারভিন হক বলেন, ‘কী কী সুপারিশ আমরা করছি, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে নারীর প্রতি সকল ধরনের বৈষম্যমূলক আইন বাতিলের বিষয়ে আমাদের সুপারিশ থাকবে।’

অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত মোট ১১টি সংস্কার কমিশনের একটি হচ্ছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে গত ১৮ নভেম্বর এই কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। প্রজ্ঞাপনে মোট ১০ সদস্যের নাম উল্লেখ ছিল। তারা হলেন- শিরীন পারভিন হক, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো মাহীন সুলতান, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (অবৈতনিক) নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ফৌজিয়া করিম ফিরোজ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কল্পনা আক্তার, নারী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হালিদা হানুম আক্তার, বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরুপা দেওয়ান, এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সিনিয়র সামাজিক উন্নয়ন উপদেষ্টা ফেরদৌসী সুলতানা ও একজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

প্রজ্ঞাপনে ব্যারিস্টার সারা হোসেনের নাম থাকলেও তিনি কমিশনে যোগ দেননি।

কমিশনের কার্যপ্রক্রিয়াতে বলা হয়েছিল, কমিশন অবিলম্বে কার্যক্রম শুরু করবে এবং সংশ্লিষ্ট সব মতামত বিবেচনা করে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে প্রস্তুত করা প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করবে। তবে অন্যান্য সংস্কার কমিশনের সঙ্গে এই কমিশনের মেয়াদও একাধিকবার বৃদ্ধি করা হয়েছে।





Source link

এই বিষয়ের আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

এই বিষয়ে সর্বাধিক পঠিত