বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী, শ্রমিক থেকে হকার—সব পেশার মানুষকেই দেখা গেল। বেশির ভাগই তরুণ, যাঁদের অনেকে যাত্রার সোনালি সময়ের গল্পই কেবল শুনেছেন। তেমনই একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত আহমেদ। তাঁর পরিকল্পনাতেই এক হয়ে যাত্রা দেখতে এসেছেন বন্ধুরা। রুবাইয়াত জানান, ‘বাবার কাছে শুনেছি, এলাকায় যাত্রার দল এলে পালা দেখার জন্য বাবা কাছারি থেকে রাতে লুকিয়ে জানালা দিয়ে নেমে চলে যেতেন। দরজা ভেতর থেকে ঠিকই বন্ধ থাকত, ফলে দাদা বুঝতে পারতেন না। “সোহরাব রুস্তম”, “নবাব সিরাজউদ্দৌলা”, “গুনাই বিবির পালা”, “রূপবান”, বেহুলা লখিন্দর” যাত্রাপালার গল্প শুনে কেটেছে আমার শৈশব। সামনে থেকে দেখার সুযোগ এলে মিস করতে চাইনি। বাবাকে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতা জানাব।’