টানা পঞ্চম মেয়াদে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল সংস্থার (সাফ) সভাপতি হওয়ার পথে কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের বয়সের বাধা দূর হলো। গতকাল শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে বিশেষ কংগ্রেসে গঠনতন্ত্রে বয়স সংক্রান্ত ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে।
গঠনতন্ত্রের ৩১.৫ ধারায় বয়স সংক্রান্ত বিষয়ে বলা ছিল, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থীর বয়স ৭০-এর নিচে হতে হবে। ২০২৬ সালে পরবর্তী সাফ নির্বাচনের সময় কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের বয়স হবে ৭২ বছর। বয়স সংক্রান্ত বাধা দূর হলেও সাবেক এ তারকার পঞ্চম মেয়াদে সাফ সভাপতি হওয়ার পথে অনেক ‘যদি-কিন্তু’ রয়েছে।
প্রথমত, সাফ সভাপতি পদে নির্বাচন করতে হলে সদস্য দেশগুলোর জাতীয় ফেডারেশনের মনোনয়ন প্রয়োজন। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় এ নিয়ে জটিলতা ছিল না। ২০০৯ সাল থেকে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে এসেছেন প্রথম বাংলাদেশি ফুটবলার হিসেবে পেশাদার লিগে খেলা কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
এদিকে আঞ্চলিক ফুটবল উন্নয়নে ফেডারেশনের সব সদস্য ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশেষ কংগ্রেস। কংগ্রেসে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এএফসি সভাপতি সবার সুবিধার জন্য বৃহত্তর ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ফুটবলের ক্রমাগত অগ্রযাত্রার জন্য শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল নেতৃত্ব অপরিহার্য। আমি বিশ্বাস করি যে, এ কংগ্রেস সাফ অঞ্চলের খেলার ভবিষ্যতের জন্য সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নেবে।’
এএফসি সভাপতি, শ্রীলঙ্কা ফুটবল সংস্থার সভাপতি এবং এ অঞ্চলের ফুটবল উন্নয়নে ভূমিকার জন্য অংশগ্রহণকারী সদস্য দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানান সাফ সভাপতি কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তিনি মনে করেন, এশিয়ার অন্যান্য দেশের সমকক্ষ হতে হলে আজকের শিশুদের আরও বেশি সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের কথায়, ‘সাফ ভবিষ্যতে আরও প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে এবং এ সংস্থার কার্যক্রম ঢেলে সাজাবে, যাতে আমাদের শিশুরা আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়।’