সাজিয়া হাসানের দাবি, প্রতিবেশী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই লুটের মালামাল পাওয়া যাবে। বাড়ির আগের ভাড়াটে এখন ওই বাড়ির পাশে আরেকটি বাড়িতে থাকেন। তিনি তাঁকে (সাজিয়া) জানিয়েছেন, এক দিন রাতে টের পেয়ে এসে অভিযুক্তদের মালামাল নিয়ে যেতে দেখে নিষেধ করলেও তাঁরা শোনেননি। রাতের পর রাত বিভিন্ন জিনিস চুরি করা হয়েছে।
সাজিয়ার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাড়িতে ভাড়াটে না থাকার সুযোগে দুষ্কৃতকারীরা ১ মে থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে রাতের বিভিন্ন সময়ে বাড়ির তালা ভেঙে ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাব, স্টিলের আলমারি, সোফা, ড্রেসিং টেবিল, শোকেস, ডাইনিং টেবিল, বইপত্র, জমির দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লুট করা হয়েছে। এ ছাড়া বাড়ির বাইরের ফটকের স্টিলের দরজা, সাবমারসিবল পানির পাম্প, একটি বাণিজ্যিক মিক্সচার মেশিন, সাইকেল ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।