উত্তর সন্দ্বীপের সবচেয়ে বড় বাজার আকবর হাটের সবজির আড়তের মালিক মো. আকবর হোসেন জানিয়েছেন, ‘ফেরি চালু হওয়ার পরদিন এক ট্রাক সবজি নিয়ে এসেছি। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। ফেরি চালুর আগে কুমিরা ঘাট দিয়ে ট্রলারে সবজি আনতে হতো। তখন সন্দ্বীপ চ্যানেলের দুই পাড়ে দুবার করে মাল ওঠানো–নামানো করতে হতো। এতে একদিকে যেমন সময় বেশি লাগত, অন্যদিকে টানাহেঁচড়ায় মাল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতো।’
চৌমুহনী বাজারের ‘মা-বাবার দোয়া’ আড়তের ব্যবস্থাপক রাজীবও একই রকমের তথ্য দিয়েছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘ফেরি সার্ভিস আমাদের ব্যবসাকে সহজ করে দিয়েছে। আগে আমাদের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ সবজি নষ্ট হয়ে যেত। এখন পুরোটা তাজা দেখতে পাচ্ছি। খরচ কেমন কমেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খরচ কিছুটা কমেছে, পুরোটা হিসাব করে দেখার সময় নেই হাতে।’ একই বাজারের পূজা বাণিজ্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে আসা একটি ট্রাক থেকে মাল খালাস হচ্ছে। এটির মালিক জয়দেব মুহুরীও খরচ কিছু কমে আসার কথা জানিয়েছেন।
শুধু কাঁচামালই নয়, বড় ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে করে ফার্নিচার, রড, সিমেন্টসহ হরেক রকমের মালামাল পরিবহন হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে সন্দ্বীপ থেকেও মালভর্তি ট্রাক ফেরিতে উঠছিল। সেসব ট্রাকের কোনোটিতে লোহার টুকরা আবার কোনোটিতে ঢেউ টিন নিয়ে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চালকেরা।