প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২২৭ জন প্রার্থীর প্রাক্–চরিত্র বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য পাওয়া যায়। ২২৭ জন প্রার্থীর বিষয়ে বিরূপ মন্তব্যের কারণে সাময়িকভাবে নিয়োগের অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হয় এবং তাঁদের বিষয়ে অধিকতর যাচাই ও খোঁজখবর নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৪০ জনকে নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হয়। এ অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর ১ হাজার ৮৯৬ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
চাকরিবিশেষজ্ঞ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে, জেল খাটলে বা দাগি সন্ত্রাসী হলে পুলিশ রেকর্ড উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেবে। প্রতারণা করে চাকরি নিলে সেটাও এই বিবেচনায় নিতে হবে। কিন্তু এ–জাতীয় অপরাধ ছাড়া অন্য কোনো বিবেচনায় বা রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু এটি অতীতেও হয়েছে, বর্তমানেও হয়েছে। এটা কোনোভাবেই উচিত না, এটা বন্ধ হওয়া উচিত।