ভৌগোলিক দুর্যোগে ভূমিতে সৃষ্ট ফাটল, হিমবাহ গলে যাওয়া এলাকা, পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা নদী অববাহিকায় সাধারণত হ্রদ সৃষ্টি হয়ে থাকে। ভূতাত্ত্বিক যুগ বিভাজনের দিক থেকে বিবেচনা করলে সব হ্রদ ক্ষণস্থায়ী। পলি দিয়ে ভরাট হওয়াসহ নানা কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হ্রদের পানি শুকিয়ে যেতে পারে। তবে সক্রিয় কিছু প্রাকৃতিক কারণে অনেক হ্রদ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। যেমন টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে ভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হয়ে যেসব হ্রদ সৃষ্টি হয়, সেগুলোর পানি শুকাতে দেরি হয়।
ভূমিধস, সিঙ্কহোল, বরফের বাঁধ, আগ্নেয়গিরি এবং হিমবাহ চলাচলের মতো প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে হ্রদ সৃষ্টি হয়। হ্রদের আকার, আকৃতি ও গভীরতা নানা ধরনের হতে পারে। দুই পদ্ধতিতে হ্রদের গভীরতা মাপা হয়। একটি হলো সর্বাধিক গভীরতা, অন্যটি গড় গভীরতা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে হ্রদের গভীরতম বিন্দুর দূরত্বের বিচারে সর্বাধিক গভীরতা মাপা হয়। এর ভিত্তিতে এটলাস ডটকমে বিশ্বের গভীরতম ১০টি হ্রদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পাঠকের জন্য এসব হ্রদের নানা তথ্য তুলে ধরা হলো।