সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সংগঠনের পক্ষ থেকে মূল দাবিগুলো তুলে ধরেন পরিষদের সদস্যসচিব শিল্পী পলাশ কুমার সাউ। তিনি তাঁর ‘৬০ বছরের বিটিভি, ১৭ বছরে ডুবছে, বাঁচাও বিটিভি’ শীর্ষক প্রবন্ধে বিটিভিতে বিগত কয়েক বছরের আর্থিক অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে শিল্পীদের ১২টি পরামর্শ মানতে হবে। এর মধ্যে বিটিভির দুর্নীতি ঠেকাতে সংস্কার কমিশন গঠন, শিল্পী সম্মানী নির্ধারণ, বিটিভির সিন্ডিকেট ভাঙতে তদন্ত ও আইনিব্যবস্থা, স্বচ্ছভাবে শিল্পী তালিকাভুক্ত করাসহ আরও বেশ কিছু পরামর্শ রয়েছে।
নজরুলসংগীতশিল্পী সুজিত মোস্তফা বলেন, বিশ্বের সব গণমাধ্যম, প্রচারযন্ত্র যখন বাণিজ্যিক চাহিদা তৈরি করছে, তখন বিটিভি নিজের সেই অর্জন হারিয়েছে। অতীতে বিটিভির জনপ্রিয়তার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিটিভির জন্য স্বচ্ছ পরিকল্পনা চাই। বিটিভির বাজেট প্রকাশ করা হোক। দেশের সংকটে শিল্পীরাই প্রথম গলায় হারমোনিয়াম বেঁধে ঝাঁপ দেন। সেই শিল্পীরা ইন্টারনেট কালচারের সঙ্গে দৌড়ে হয়রান হচ্ছেন। রাষ্ট্রের উচিত শিল্পীদের রক্ষা করা। সব দেশেই শিল্পীদের জন্য বাজেটের অন্তত ৪ শতাংশ বরাদ্দ হয়, কিন্তু বাংলাদেশে তা ১ শতাংশের অনেক কম বলে উল্লেখ করেন তিনি।