Homeদেশের গণমাধ্যমেবদরুদ্দীন উমরের জন্মদিন উদযাপন

বদরুদ্দীন উমরের জন্মদিন উদযাপন


জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের উদ্যোগে লেখক, রাজনীতিক ও চিন্তক বদরুদ্দীন উমরের ৯৩তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জনযুদ্ধেরই ইতিহাস’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় তোপখানা রোডে এই সভা করা হয়।

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল কেন্দ্রীয় অঞ্চলের সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন সভাপতি মিতু সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলের জাতীয় পরিষদ সদস্য বাংলাদেশ লেখক শিবিরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুঈনুদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল।

আরও বক্তব্য রাখেন- জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের সংগঠক শফি রহমান, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক আবিদুল ইসলাম।

আলোচনা সভার শুরুতে গণসংগীত পরিবেশন করেন মুক্তির মঞ্চের সংগঠক হেমন্ত দাস, স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি হাসান ফকরি ও কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আজি হতে শতবর্ষ পরে’ কবিতা আবৃত্তি করেন দীপা মল্লিক।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ফয়জুল হাকিম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ শাসক শ্রেণির লিখিত ইতিহাস প্রত্যাখ্যান করে জনগণের ইতিহাস নির্মাণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যে জনযুদ্ধের ইতিহাস তা আজকে জনগণের সামনে উন্মোচিত করার সময় হাজির হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের নায়ক শুধু ছাত্র-সমাজ নয়, শ্রমিক কৃষক সাধারণ জনগণই ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বর্বরোচিত গণহত্যার বিরুদ্ধে রাজপথের প্রতিরোধ গড়ে তুলে ফ্যাসিবাদী শাসন উচ্ছেদ করেছেন। জনগণই যে ইতিহাসের নিয়ন্ত্রক তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। জনগণের এই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকাকে আড়াল করার চেষ্টা এখন দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে গণতান্ত্রিক ও বিপ্লবী আন্দোলনের কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। কমরেড বদরুদ্দীন উমর জনগণের সংগ্রামী ইতিহাসকে নির্মোহভাবে ধারণ করে সংগ্রামের পথ নির্দেশ করেছেন। বাংলাদেশে জনগণের ক্ষমতার পথ, পরিবর্তনের পথ যে নির্বাচন নয় গণঅভ্যুত্থান তা তিনিই সর্বপ্রথম নির্দেশনা দিয়েছিলেন।





Source link

এই বিষয়ের আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

এই বিষয়ে সর্বাধিক পঠিত