এ ক্ষেত্রে সরকারের উচিত ছিল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ী দামে চাল, আটা, চিনি ও ভোজ্যতেলের বিক্রি বাড়ানো, যাতে করে গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। সংশ্লিষ্টদের নিশ্চয়ই এটা অজানা নয় যে দেশে কোনো মৌসুমে উৎপাদন ব্যাহত হলে চালের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। ২০১৭ সালে হাওরে আগাম বন্যায় বোরো মৌসুমের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তখন এক সপ্তাহে প্রতি কেজি মোটা চালের দাম ৭ থেকে ৯ টাকা বেড়ে গিয়েছিল। বিদেশ থেকে চাল আমদানির জন্য তৎকালীন সরকারকে বেশ দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছিল। এবার যাতে সেই পরিস্থিতি না হয়, সে জন্য সরকারকে আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে।
উল্লেখ্য, গরিব মানুষের খাদ্যব্যয়ের একটি বড় অংশ যায় চালের পেছনে। চালের দাম এমন সময়ে বাড়ছে, যখন ভোজ্যতেল, চিনি, সবজি, ডিম, মুরগির মাংসসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম চড়া। খাদ্য অধিদপ্তর বলছে, তাদের গুদামে এখন চালের মজুত ১০ লাখ টনের নিচে নেমেছে, যা গত ১৫ আগস্ট ছিল প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ টন। সরকারিভাবে বিতরণ বাড়ানোয় মজুত কমছে। এ অবস্থায় চালের মজুত ও খোলাবাজারে বিক্রি দুটোই বাড়াতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তা মজুত ও সম্ভাব্য ঘাটতি বিবেচনায় ১০ লাখ টন চাল আমদানি করা দরকার।