পুরো নাটকে দর্শকদের অবাক করেছেন মরিয়ম রূপা। তাঁকে চিনি বহু বছর ধরে, ভালো একজন আলোকচিত্রী তিনি। কিন্তু অভিনয়েও যে তিনি এতটা দক্ষ, তা কে জানত! সেদিন যখন তাঁর অভিনয় দেখছিলাম, মনে হচ্ছিল, আমার মতো রূপাও কি তাঁর নারী হয়ে ওঠার যাত্রায় এতটাই আঘাত পাওয়া কি না! পুরোটা সময় শর্মী, বহ্নি, মিম, ওরিশা, মূর্ছনা, মিশেল—সবার অভিনয়ের ভেতরে বারবার রূপাকেই দেখেছি। অভিনয়ের মধ্য দিয়ে এই সমাজের প্রতি রূপা ছুড়ে দিচ্ছিলেন রাগ, অভিমান আর ঘৃণা। কতবার যে কাঁদলাম। পরেও আমি রূপাকে ধরে কাঁদলাম, কাঁদলেন রূপাও। এই কান্নাকে ‘কালেকটিভ’ বা সমষ্টিগত ক্রন্দন বলতে পারি। কোনো কথা হলো না, তবু আমরা দুজন দুজনের ভাষা বুঝে গেলাম!