কমিশনের সুপারিশের মধ্যে থাকছে, জনপ্রশাসনে উপসচিব ও যুগ্ম সচিব পদে পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি, উপসচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ শতাংশ ও অন্য ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ বরাদ্দ করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত না রেখে আলাদা রাখা।
কমিশনের এসব সুপারিশের প্রতিবাদে এর আগে প্রশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়। এবার আন্তক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ তাদের দাবি ও আন্দোলন কর্মসূচির কথা জানাল।
আজ সভায় বক্তারা বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সরকারের সব নীতিনির্ধারণ করে এবং বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেয় বেসামরিক প্রশাসন; যা বর্তমানে ২৬টি ক্যাডার নিয়ে গঠিত। কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) আমূল পরিবর্তন দরকার। অথচ কমিশন বৈষম্যমূলকভাবে উপসচিব পদে একটি ক্যাডারের (প্রশাসন) জন্য ৫০ শতাংশ কোটা রাখার সুপারিশের বিষয়টি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরে ধরেছে। এতে ২৫টি ক্যাডারের সদস্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।