মারধরের শিকার মামুন অর রশিদ দৈনিক দেশবাংলা নামক একটি পত্রিকার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি। তাঁর ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যায় সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের কালীবাড়ি বাজারে চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন তিনি। এ সময় তাঁকে সেখান থেকে ডেকে নেন আখানগর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি জোবায়দুল হক চৌধুরী। পরে জোবায়দুলের সঙ্গে থাকা লোকজন তাঁর (মামুন অর রশিদ) ওপর হামলা চালান। পরে তাঁরা মামুনকে একটি চালকলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে মামুনের গলা চেপে ধরেন জোবায়দুল। সেখানে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে নির্যাতন।
হামলার কারণ সম্পর্কে মামুন বলেন, ‘৫ আগস্টের পর জোবায়দুলের বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ আসছিল। এ নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। এ ঘটনায় তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। প্রায়ই তিনি মোবাইলে আমাকে হুমকি দিতেন। গতকাল আমাকে পেয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।’
মারধরের পর আশপাশের লোকজন মামুনকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন। ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রাকিবুল আলম জানান, সাংবাদিক মামুনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া গলায় দাগ রয়েছে।