কয়েক দিন সেখানে থাকার পর আবার একদিন সকালে চোখ বেঁধে গাড়িতে তোলা হয় বলে জানান সুখরঞ্জন বালি। তিনি বলেন, গাড়িতে ওঠানোর সময় কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তিনি তা জানতে চান।
এ সময় জায়গাটি বাগেরহাট কি না, তা ঠাহর করার চেষ্টা করেন সুখরঞ্জন বালি। কিন্তু তিনি বুঝতে পারেন যে ওটা বাগেরহাট নয়। তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম সামনে বিএসএফ (ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী), এটা বর্ডার এলাকা। সেখানে যাঁরা আমাকে নিয়েছিলেন, কান্না করতে করতে আমি বিএসএফের হাতে তুলে না দিতে তাঁদের অনুরোধ করি। আমি বলি, এদের হাতে তুলে দিয়েন না। প্রয়োজনে আমাকে মেরে ফেলেন। এ কথা বলতে বলতে আমি মাটিতে পড়ে যাই।’
জোর করে বিএসএফের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হয় বলে দাবি করেন সুখরঞ্জন বালি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বাংলাদেশের একজন নিরপরাধ নাগরিককে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরেকটি দেশের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দেয় কেমন করে?’