আবদুল মালেক নামে আরেকজন বলেন, তাঁর বসতবাড়ি ভেঙে গেছে বালু তোলার কারণে। এখন তিনি বাগানের ভেতর বাড়ি করে রয়েছেন। জানে আলম, নুরুল আলমসহ অনেকে জানান, বালু তোলার কারণে তাঁদের চাষের জমি দেবে গিয়ে খাদে পরিণত হয়েছে। খালের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সেচ দিতে না পেরে বর্ষাকাল ছাড়া চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে।
খালের সাতকানিয়া অংশে বালু আহরণ যন্ত্রের চালক মো. সোহাগ জানালেন, বিএনপি নেতা ও ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আয়ুবের নেতৃত্বে মিজান, শাহেদসহ বেশ কয়েকজনের বালু ব্যবসায়ীর কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন তিনি। গত সপ্তাহে প্রশাসনের অভিযানে দুটি বালু তোলার যন্ত্র জব্দ হয়েছে। গত রোববার রাতে আরেকটি যন্ত্র বসানো হয়েছে।
ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আয়ুব অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, সরকার পতনের আগে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সাপ্রু খালের কোটি কোটি টাকার বালু পাচার করেছেন। এখন তাঁরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী এখন কাজ করছেন। তিনি এতে সরাসরি জড়িত নন।