হাইড্রোল্যান্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নতুন প্রজ্ঞাপন আরোপ করার পরে কোয়ারেন্টাইন স্টেশন থেকে অন্তত মুঠোফোন বা ই–মেইল করে আমাদের জানানো তাঁদের নৈতিক দায়িত্ব ছিল। এখন যদি সনদপত্র ছাড়া চালানটি ছেড়ে না দেয়, তাহলে ভারতে ফেরত পাঠানো ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় থাকবে না।’
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিশেষ কোনো সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়ার জন্য আমদানিতে নতুন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীরা যাতে ডিম আমদানি করতে না পারেন, সে জন্য নানা রকম শর্ত দেওয়া হচ্ছে।
আমদানিকারকদের সূত্রে জানা গেছে, শুল্কায়নসহ প্রতিটি ডিমের আমদানি মূল্য পড়ছে ৮ টাকা ৪৭ পয়সা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে পরিবহন, শ্রমিক ও ওয়েস্টেজ (নষ্ট) খরচ। সব মিলিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে ডিমপ্রতি সাড়ে ১০ টাকার মতো খরচ হবে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রিতে তারা প্রতি ডিমে ২০ থেকে ৩০ পয়সা লাভ করতে চায়।