২৫টি ক্যাডার নিয়ে গঠিত ‘আন্তক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদের’ সমন্বয়ক মোহাম্মদ মফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে, বাক্স্বাধীনতা ফিরে পেতে। কেউ যদি গুরুতর অন্যায় করেন, তাঁকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। কিন্তু ঢালাও বরখাস্ত করে অবিচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রশাসন ক্যাডারের অনেক কর্মকর্তা ২৫টি ক্যাডার নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে তেমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বেশি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধির বিষয়ে সরকার কঠোর বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগের (এপিডি) অতিরিক্ত সচিব ওবায়দুর রহমান। তিনি গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। দেখা যাচ্ছে, অনেক কর্মকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তক্যাডার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন। তাঁরা সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘন করছেন। যাঁরা বিরূপ মন্তব্য করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।