সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ডক্টর ইউনূসের বক্তব্যে ভারতের আপত্তিকে অযৌক্তিক মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এমনকি ভারতীয় বিশ্লেষকরাও বলছেন, এ নিয়ে প্রতিবেশি দেশটির গণমাধ্যম ও কিছু বিশেষজ্ঞ অহেতুক বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছেন। তাদের মতে, প্রফেসর ইউনূস মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য তথা কানেকটিভিটি ইস্যুতে মন্তব্য করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ও জানিয়েছে, সৎ উদ্দেশ্যেই এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।
গত কয়েকদিনে চরম উত্তেজনা ভারতীয় গণমাধ্যমে, দাবি সেভেন সিস্টার্সকে ল্যান্ডলক বলে যে মন্তব্য করেছেন ড. ইউনূস তা ভারতের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি নাকি। কিন্ত আসলেই কি তাই! বেইজিংয়ে ব্যবসায়ীদেত উদ্দেশ্যে দেয়ায় বক্তৃতায় মূলত এ অঞ্চলের কানেক্টিভিটি নিয়ে কথা বলছিলেন প্রফেসর ইউনূস।
প্রশ্ন হলো এমন বক্তব্য কি নতুন? জাপানের বিগ বি পরিকল্পনা বা বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন, ভারত বিসিআইএম করিডরের যে আলাপ তার সাথেও সম্পৃক্ত প্রতিবেশী দেশের এই ৭ রাজ্য। তাই এর পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য না খোঁজার কথাই বলছেন নীতিনির্ধারকরা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলছিলেন, ব্যক্তি প্রফেসর ইউনূস আর বক্তব্যের স্থান চীন হওয়ায় এ নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভারতে।
৫ আগস্ট পরবর্তী ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাড়তি মাত্রা যুক্ত করেছে প্রফেসর ইউনূসের চীন সফর। যদিও তার আলোচিত এই বক্তব্যকে নিরাপত্তার লেন্সে দেখা সঠিক হবে না বলে মনে করছেন ভারতের জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক শ্রী রাধা দত্ত।
এমন বাস্তবতায় বিমসটেক সম্মেলনে দেখা হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই শীর্ষ নেতার। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিতর্কিত নানা সিদ্ধান্তসহ বিদ্যমান বিশ্ব বাস্তবতায় এ অঞ্চলের দেশগুলোর ঐক্য ভীষণ জরুরি বলেও মত বিশ্লেষকদের।