প্রেমের আবেগঘন মুহূর্তগুলোকে হৃদয়ে আরও গভীরভাবে স্পর্শ করাতে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে গান ‘এতো প্রেম এতো মায়া’। প্রকাশের পর থেকেই গানটি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এবং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সোমেশ্বর অলির কথায় ও সাজিদ সরকারের সুরে এবং রেহান রাসুল ও অবন্তী সিঁথির গায়কিতে সজ্জিত এ গানটি এক অনন্য আবেগের প্রকাশ ঘটিয়েছে। মেলোডিয়াস সুর ও হৃদয়গ্রাহী লিরিক্স এরই মধ্যে শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে জাকারিয়া সৌখিনের পরিচালনায় নির্মিত নাটক ‘মন দুয়ারী’। আর এ নাটকেরই গান ‘এতো প্রেম এতো মায়া’। নাটকটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্ব এবং নিহা। নাটকে তাদের চরিত্রের হঠাৎ করে একে অন্যের মায়ায় পড়ার দৃশ্যকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে এ গানটি।
গানটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শক-শ্রোতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ইউটিউবে এরই মধ্যে গানটি লাখের অধিক দেখা হয়েছে এবং হাজার হাজার মন্তব্যে শ্রোতারা তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। প্রেমের আবেগঘন অনুভূতি নিয়ে তৈরি এ গানটি এর মধ্যেই সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।
এ বিষয়ে কালবেলাকে গানটি নির্মাণের পেছনের গল্পের কথা জানালেন বর্তমানের জনপ্রিয় গায়ক রেহান রাসুল। বললেন, “যখনই সোমেশ্বর অলি ভাই কোনো গানের লিরিক লেখেন এবং সাজিদ ভাই গানের সুর করেন, তখনই আসলে আমার নামটা তারা যুক্ত করেন। তারা হয়তো মনে করেন তাদের লেখা ও সুর করা গানে হয়তো রেহানই ভালো গাইতে পারবে। ওরকম একটা চিন্তাভাবনা থেকে গত চার বছর ধরেই আমাদের তিনজনের কম্বিনেশনে বেশ কয়েকটা গান বেরিয়েছে। তারই একটি প্রতিফলন হচ্ছে ‘এতো প্রেম এতো মায়া’ গানটি। যেটা ‘মন দুয়ারী’ নাটকের নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন ভাই তার নাটকে অপূর্ব এবং নিহার মাধ্যমে পর্দায় দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।” গানটির প্রেক্ষাপট সম্পর্কে গায়ক আরও বলেন, “এ গানটি মূলত ‘মায়া’ শব্দের আবর্তনে নির্মিত। আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন যে, নাটকের পুরো স্ক্রিপ্টে যে শব্দটি বারবার ব্যবহার হয়েছে সেটি হচ্ছে মায়া। গল্পে অপূর্ব ও নিহার যে চরিত্র এবং তার সঙ্গে গ্রামবাংলার সংস্কৃতির যে মায়া, সেটির সুরেলা অংশটিই ছিল মূলত এ গানের মূল প্রেক্ষাপট। এ ছাড়া নাটকের মূল উদ্দেশ্যটা যে, একটা মায়ায় বেঁধে রাখা অপূর্বর চরিত্রটাকে আর সে জায়গা থেকে আসলে এ গানটির জন্ম। পাশাপাশি অপূর্বের বিপরীতে নিহার চরিত্রের যে ভালোবাসা, সেটা তো আছেই।” অবন্তী সিঁথির সঙ্গে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে রেহান বলেন, ‘সিঁথির সঙ্গে আমার গান গাওয়ার অভিজ্ঞতাটা অনেক সুন্দর। যখন আমরা কারও সঙ্গে কোনো কাজ করি তখন আমরা একজন অন্যজনের থেকে কিছু না কিছু শিখতে পারি। এ জায়গা থেকে আমি বলব সিঁথি আর আমার মধ্যে শৈল্পিক আদান প্রদান অসাধারণ।’ বর্তমানে গান নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন রেহান রাসুল। তবে আগামীতে কোনো কাজ আসছে কি না, এ বিষয়ে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেননি এ গায়ক।