ট্রাম্পের সমালোচকেরা মনে করেন, স্বৈরশাসকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোর চেষ্টা করার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের অবজ্ঞা ও উপেক্ষা করেছেন। সাবেক এই প্রেসিডেন্ট অবশ্য মনে করেন, তাঁকে নিয়ে যে আগে থেকে কিছু অনুমান করা যায়, এটা তাঁর দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি। একই সঙ্গে ট্রাম্প এই কথা ফলাও করে প্রচার করেন যে তিনি যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন বিশ্বে বড় কোনো যুদ্ধ বাধেনি।
যুক্তরাষ্ট্র যে ইউক্রেন ও ইসরায়েলকে শত শতকোটি ডলারের অর্থসহায়তা ও অস্ত্র দিচ্ছে, এ নিয়ে অনেক আমেরিকান ক্ষুব্ধ। তাঁরা মনে করেন, বাইডেনের শাসনামলে পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল হয়ে গেছে।
ভোটারদের একটা বড় অংশ মনে করেন, কমলা হ্যারিসের চেয়ে ট্রাম্প শক্তিশালী নেতা, বিশেষত সেসব পুরুষ ভোটার, যাঁদের জো রোগ্যানের এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রাম্প কাছে টানার চেষ্টা করেছেন।